Breaking News

দুই নেত্রীকে নিয়ে বো’মা ফাটালেন জাফরুল্লাহ !

গণস্বা’স্থ্য সংস্থার ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া-তারা দুইজনই মু’ক্তিযোদ্ধা’। আজ শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব মি’লনায়তনে ‘দি ইউনিভার্সেল’ এর উদ্যো’গে বিএনপির স্থা’য়ী কমিটির

 

সদস্য সাবেক স্বা’স্থ্য মন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক খন্দকার মোশাররফ হোসেনের লেখা নতুন গ্রন্থ ‘করো’না কালে বাংলাদেশ’ এর প্র’কাশনা উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমা’র মনে

 

যে প্রশ্নটা আসে, আমি যে প্রশ্নটা রেখেছি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কী মু’ক্তিযোদ্ধা? ঠিক একইভাবে দ্বিতীয় প্রশ্নটা আনছি আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে কি মু’ক্তিযোদ্ধা? আমি মনে করি তারা দুই জনই

 

মু’ক্তিযোদ্ধা। এমন মন্তব্যের কারণ হিসেবে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘হাসিনা মু’ক্তিযু’দ্ধে সরাসরি অংশগ্রহন করেননি। উনি তখন গর্ভবতী। উনি কোথায় অব’স্থান করেছিলেন? পাকিস্তানি সামরিক বা’হিনীর রেশন খে্য়েছেন

 

এবং ধানমন্ডিতে সম্ভবত ২২ কি ৯ নং বাড়ি। সিএসপি একেএম আহসান সাহেবের বাড়িতে প্রায় ৮ মাস কা’টিয়েছেন। উনার (শেখ হাসিনা) দুই ভাই (শেখ কামাল ও শেখ জামাল) সরাসরি মু’ক্তিযু’দ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘ঠিক একই ভাবে আম’রা যদি খালেদা জিয়ার বিষয়টাতে আসি। তার

 

স্বামী একটা রাষ্ট্রের বি’রুদ্ধে বহমান শ’ক্তিমান সামরিক সজ্জিত রাষ্ট্রের বি’রুদ্ধে মু’ক্তিযু’দ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন, স্বাধীন বাংলাদেশের ঘো’ষণা দিয়েছেন। এটা সত্যি কথা পহেলা বার যখন উনি ঘো’ষণা দেন তখন বলেছিলেন, আই

 

মেজর জিয়া ডিক্লার্ড দ্যা ইন্ডিপেন্ডেন্স। তারপরে যখন দ্বিতীয়বার ঘো’ষণা দেন তখন একে খান বললেন, এই জাতীয় ঘোষণা হলে মনে হবে এটা সামরিক ক্যু হয়েছে। এটা রাজনৈতিকভাবে দিতে হবে। তার পরেরটায় যে ড্রাইফটা করেন, আই মেজর জিয়া অনবিহাফ অব আওয়ার গ্রেট লীডার শেখ মুজিবুর রহমান ডিক্লার্ড দ্যা ইন্ডিপেন্ডেন্স।

 

প্রথম যে ঘো’ষণা সেখানে উনি নিজেকে প্রেসিডেন্টও বলেছিলেন। এটা ইতিহাসের সত্য- উনি উনি কয়েক ঘণ্টার জন্য আমাদের বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি বলেন, ‘তারেক জিয়াকে নিয়ে একের পর এক বাড়ি ঘুরে বেড়াচ্ছেন, আত্মগো’পন করে বেড়াচ্ছেন। আত্মগো’পন ক’রেছেন আবদুল্লাহ সাহেবের বাসায়। তারা তাকে

 

আশ্রয় দেন, তারা তাকে লুকিয়ে রাখেন। যখন না পারেন পরে এক সময়ে অনেক কষ্ট করে খালেদা জিয়া ঢাকায় এসে মৌচাকের কাছে একজনের বাড়িতে ছিলেন। পরে এক সময়ে ধ’রা প’ড়ে যান। পরে তাকে কেন্টনমেন্ট আ’টকিয়ে রাখা হয়। উনি পাকিস্তানিদের হাতে বন্দি ছিলেন। ঠিক যেভাবে শেখ মুজিবুবর রহমানও ছিলেন

 

পাকিস্তানিদের হাতে বন্দি। ঢিল ছুড়াছুড়ি করলে, সরকার পাগলামি করলে যে নতুন কথা আসবে….। মু’ক্তিযু’দ্ধের সময়ে গো’পনে ঢাকায় এসে মায়ের সাথে সাক্ষাতের একটি স্মৃ’তি এবং পরে কলকাতায় গিয়ে প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের সাথে দেখা করার বিষয়টি তুলে ধ’রে তিনি বলেন,‘আমি তাজউদ্দিন সাহেবকে

 

প্রশ্ন করেছিলাম- আমা’র মায়ের স্ট্যাটাস কী? উনি বলেছিলেন, অবশ্যই মু’ক্তিযোদ্ধা। তিনি আরো বলেন, ‘জিয়াউর রহমান একজন বীর মু’ক্তিযোদ্ধা, বীর উত্তম একটা প্রমাণিত সত্য। এই উপাধি তো পাকিস্তান দেয় নাই, শেখ মুজিবুর রহমান দিয়েছেন। উনি তো কোনো দিন প্রশ্ন করবেন নাই- জিয়া বেটা তোরে কে কইছে আমা’র নামে

 

ঘো’ষণা দিতে। বরংঞ্চ তাকে প্রমোশন দিয়েছেন। ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘আজকে আপনারা কাকে এই প্রশ্ন উঠাচ্ছেন। এই প্র্রশ্ন উঠিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানকে অপমান করছেন, বঙ্গব’ন্ধুকে অপমান করছেন, তাকে ছোট করছেন। ওই যে বললাম, মৌচাকে যদি ঢিল মা’রেন আজকে প্রশ্ন উঠতে পারে সিরাজ সিকদারের বিচার নিয়ে। এই বোকামী করা এটা পাগলামীর নামান্তর।

 

 

Check Also

কেউ বলতে পারে না নদীতে কালভা’র্ট কে বানাচ্ছে!

নবীগঞ্জে উপজে’লার বাউসা ইউনিয়নের নাদামপুর নামকস্থানে শাখাবরাক নদীতে পানি চলাচলের পথ ব’ন্ধ করে ব্য’ক্তিস্বার্থের জন্য …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *