”৩৪ বছর বয়সে ১১ বিয়ে হামিদার…..

প্রায় ডজন খানিক বিয়ে করে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অ’ভিযোগ উঠেছে ৩৪ বছর বয়সী হামিদা বেগমের

বি’রুদ্ধে। একে একে ১১টি বিয়ে করলেও তিন-চারটি ছাড়া অধিকাংশ স্বামীর স’ঙ্গে ই কোনো প্রকার বিয়ে বি’চ্ছেদ

 

হয়নি হামিদার। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজে’লার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের কলেজপাড়া এলাকায় হামিদার পৈতৃক

বাড়ি। বাবা মৃ’ত বালু মিয়া, মা মৃ’ত আবেদা খাতুন। হামিদার বাবা ছিলেন একজন চা দোকানি। পারিবারিকভাবে

 

হামিদার প্রথম বিয়ে হয় সরাইল সদরের বড্ডাপাড়া গ্রামের প্রবাসী আলমগীর মিয়ার স’ঙ্গে । অনুমান ১০ বছর

সংসার করার পর হামিদা কালীকচ্ছ এলাকার ব্যবসায়ী ইব্রাহিম নামে এক ব্য’ক্তির স’ঙ্গে পর’কী’য়ায় জড়িয়ে প্রবাসী

আলমগীরকে তা’লাক দেয় এবং দে’নমোহর ও অন্যান্য পাওনা বাবদ প্রায় নয় লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় হামিদা।

 

পরবর্তীতে ইব্রাহিমের স’ঙ্গে সংসার শুরু করে হামিদা। মাত্র একবছরে কৌশলে হামিদা নিজ পিত্রালয়ে নতুন ঘর

নি’র্মাণসহ বিভিন্ন কাজে’র অজুহাতে ১০ লক্ষ টাকার বেশি ইব্রাহিমের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়। এরই মধ্যে

কালীকচ্ছ এলাকার বাপ্পী নামে এক ব্যবসায়ীর স’ঙ্গে পর’কী’য়া স’ম্পর্ক গড়ে তোলেন হামিদা। এরকিছু দিন পর

 

দুর্ঘ’টনায় ইব্রাহিম পা ভে’ঙে অ’সু’স্থ হয়ে পড়লে, তাকে ছে’ড়ে হামিদা বেগম বাপ্পীর স’ঙ্গে নতুনভাবে সংসার শুরু

করে। মাত্র কয়েকমাসে বাপ্পীর কাছ থেকে হামিদা মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পর সরাইল সদরের বাসিন্দা

 

রেজেক আলীর স’ঙ্গে আবারো নতুনভাবে স্বামী-স্ত্রী’র স’ম্পর্ক গড়েন। পরবর্তীতে এসব অ’নৈতিক ক’র্মকা’ণ্ডের

কারণে হামিদা গ্রামের বাড়ি কালীকচ্ছ থেকে কয়েক বছর আগে বিতাড়িত হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জে’লা শহরে বাসা

 

ভাড়া নিয়ে বিয়ে বাণিজ্য চালাতে থাকেন। বিশেষ করে প্রবাসী ও ব্যবসায়ীদের নানাভাবে ফাঁ’দে ফে’লে প্রথমে বিয়ে

ছাড়াই তাদের স’ঙ্গে শা’রীরিক স’ম্পর্ক গড়ে তোলেন হামিদা। পরে বিয়ে ছাড়া রাত্রিযাপনের অ’প’রাধে মা’মলার

ভ’য় দেখিয়ে ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা দেনমোহরে এসব ব্য’ক্তিদের রেজিস্ট্রি বিয়ে করেন হামিদা। কিছুদিন পর

 

সুযোগ বুঝে দেনমোহরের পূর্ণ টাকা ও বিবাহ বি’চ্ছেদকালীন স্ত্রী’র ভরণপোষণ বাবদ আরো লক্ষাধিক টাকা আদায়

করে এসব স্বামীদের তালাক দেন হামিদা। সর্বশেষ ১০ নম্বর স্বামী জহিরুল ইস’লামকে নিয়ে সংসার করা অব’স্থায়

গত ২৩ জুন জহিরুলের ব’ন্ধু আবদুল্লাহকে বিয়ে ক’রেছেন হামিদা। হাতিয়ে নিয়েছে জহিরুলের সবকিছু। এদিকে

 

বিষয়টি অনুসন্ধানে হামিদার একের পর এক বিয়ের কা’বিননামাসহ বেশকিছু নথি প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে।

হামিদা বিয়ের প্র’তারণা’র ফাঁ’দ ফেলতে ভু’য়া ঠিকানা দিয়ে পাসপোর্ট, বয়স কম দেখিয়ে জ’ন্ম নিব’ন্ধন তৈরি ও

অ’নৈতিক কাজে বিভিন্ন স্থানে নিজেকে র’ক্ষা ক’রতে প্রথম স্বামীর নাম ও ঠিকানা ব্যবহার করে জাতীয় সনদপত্র

 

 

ক’রেছেন হামিদা। এ বিষয়ে কালীকচ্ছ এলাকার জনপ্রতিনিধি, সমাজক’র্মী সহ সুশীল সমাজে’র বেশকয়েকজন

জা’নান, হামিদার ব্যবসা হলো বিয়ে। দেনমোহরের টাকা হাতিয়ে নিতেই হামিদা একের পর এক বিয়ে করেই

যাচ্ছেন। তার কারণে অনেক পরিবারে এখন শুধুই অ’শান্তি। অনেক মানুষ আজ অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে

 

ক্ষ’তিগ্রস্ত। মঙ্গলবার (২৫ জুন) মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে হামিদা বেগম সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদককে

বলেন, একাধিক বিয়ে এটি আমা’র ব্য’ক্তিগত জীবনের বিষয়। মানুষের ব্য’ক্তিগত জীবনের সবকিছু জানতে নেই ।

হামিদা দা’বি করেন, একাধিক বিয়ে ও দেনমোহরের টাকা আদায়, এসব তিনি তার স্বামীর ইচ্ছাতেই করছেন। তার

 

স্বামী তাকে দিয়ে এসব রোজগার করাচ্ছেন।আপনার কোন স্বামী, আপনাকে দিয়ে এই অ’নৈতিক কাজগুলো

করাচ্ছেন ? এমন প্রশ্নের জবাবে হামিদা বলেন, এসব জানতে হলে সরাসরি সাক্ষাৎ ক’রতে হবে। এটি জা’নিয়ে

তিনি মুঠোফোনোর সংযোগ বি’চ্ছিন্ন করে দেন।

 

 

Check Also

খ্রি’স্টধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন ক্রিশ্চিয়ান ব্রিটজম্যান

খ্রি’স্টধ’র্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন জার্মানির প্রসিদ্ধ ইউটিউবার ক্রিশ্চিয়ান ব্রিটজম্যান। নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *