Breaking News

হেফাজতের ব্যাপারে ক’ঠোর অব’স্থানে যাবে সরকার

হেফাজতের স’ঙ্গে সমঝোতা ব’ন্ধুত্বের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে। নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর শেষে

সরকার হেফাজতের ব্যাপারে ক’ঠোর অব’স্থানে যাবে। সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য

 

নি’শ্চিত ক’রেছেন। উল্লেখ্য, নারী নীতির বি’রুদ্ধে প্রথম হেফাজত আলোচনায় আসে। ২০১৩ সালের মে

মাসে `ঢাকা চলো` ক’র্মসূচির মাধ্যমে ভাঙচুর তা’ণ্ডবের মাধ্যমে হেফাজত বাংলাদেশের রাজনীতিতে

 

আলোচিত একটি সংগঠনে প’রিণত হয়। সে সময় হেফাজতের আমির ছিলেন আল্লামা শফী। মূলত

কওমি মাদ্রাসা ভিত্তিক এই সংগঠনটি কোমলমতি দরি’দ্র মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের উপর ভর করেই

বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি শ’ক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম গঠন করেছে। যদিও হেফাজত আনুষ্ঠানিকভাবে

 

বলে যে, তাদের কোনো রাজনৈতিক অভিপ্রায় নেই। কিন্তু আল্লামা শফীর মৃ’ত্যুর পর জুনায়েদ বাবুনগরী

এবং মামুনুলের নেতৃত্বে নতুন যে হেফাজত এসেছে তার মধ্যে সুস্পষ্ট একটি রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি দেখা

 

যাচ্ছে। বিশেষ করে স্বাধীনতাবিরো’ধী মৌলবাদী ধ’র্মান্ধ গোষ্ঠীর স’ঙ্গে একটি সুস্পষ্ট স’স্পর্ক তৈরি করছে

হেফাজতে ইসলাম। বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে তারা নাক গলাচ্ছে। বাবুনগরী ছিল ২০১৩

 

ঢাকায় তা’ণ্ডবের অন্যতম হোতা। এজন্য তার বি’রুদ্ধে একাধিক মা’মলা হয়েছিল। তাকে জে’লেও যেতে

হয়েছিল। কিন্তু তারপর সরকার হেফাজতের সাথে একটি আপোষ সমঝোতার পথ বেছে নেয়। এই

 

সমঝোতার ফলে বাবুনগরীর বি’রুদ্ধে মা’মলাগুলো আর সচল থাকে নি। তবে বাবুনগরীর স’ঙ্গে যে

বিএনপি এবং জামাতসহ প্রতিক্রিয়াশীল রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর স’স্পর্ক রয়েছে সেই বিষয়টি আর

 

গো’পন নেই। বাবুনগরী দায়িত্ব গ্রহণের পরে বঙ্গব’ন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে বিরো’ধিতা করে। সরকার তখনও

আ’ক্রমণাত্মক হয়নি বরং তাদের সাথে গো’পন সমঝোতার চেষ্টা করেছিল। পরবর্তীতে নরেন্দ্র মোদির

 

ঢাকা সফর নিয়ে জলঘোলা করার চেষ্টা করেছিল বাবুনগরী এবং তার শিষ্যরা। তারা নরেন্দ্র মোদির

বাংলাদেশ সফর এর বিরো’ধিতা করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা সফল হয়নি। আর এই সমস্ত কারণেই

 

সরকারের নীতিনির্ধারক মহল মনে করছে অনেক হয়েছে হেফাজতের আর আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।

যদিও সরকারের কিছু দায়িত্বশীল ব্য’ক্তি হেফাজতের স’ঙ্গে এক ধ’রনের সক্ষ্যতার স’স্পর্ক তৈরি করেছে।

 

তারা মনে করত যে হেফাজতকে না ক্ষেপিয়ে বরং তাদেরকে বশীভূত রাখার কৌশলই সেরা কৌশল। কিন্তু

সরকার এখনও নি’শ্চিত হয়েছে যে হেফাজতের যে ক’র্মকান্ড তা সুস্পষ্টভাবেই জামাতের ক’র্মকাণ্ডের

স’ঙ্গে স’স্পর্কিত। হেফাজতেকে জামাত এবং বিএনপি প্র’ভাবিত করছে। আর তাছাড়া হেফাজত যে সমস্ত

 

অন্যায় আবদার করছে তা সরাসরি মু’ক্তিযু’দ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার অ’ঙ্গীকার এবং জনগণের বিপক্ষে।

আর এ কারণেই হেফাজতের ব্যাপারে এক ধ’রনের ক’ঠোর অব’স্থানে যাচ্ছে সরকার। তবে কি ধ’রনের

ক’ঠোর অব’স্থানে যাবে সে স’স্পর্কে সরকারের দায়িত্বশীল কেউই এখনই মুখ খুলতে চাননি। বিভিন্ন সূত্রে

 

জা’না গেছে, সরকার একাধিক পথের কথা ভাবছে। প্রথমত হেফাজতকে আর ও প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

তাদের যে সমস্ত অন্যায় আবদার আছে সেগুলোর ব্যাপারে সরকার কোনো রকম আলোচনা বা সমঝোতা

যাবে না। দ্বিতীয়ত হেফাজতের যারা ধ’র্মীয় উস্কানি দিচ্ছে এবং বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি

 

বিন’ষ্টের চেষ্টা করছে তাদের বি’রুদ্ধে আ’ইনানুগ কঠোর ব্যব’স্থা গ্রহণ করা হবে। তৃতীয়ত ২০১৩ সালের

তা’ণ্ডবের স’ঙ্গে হেফাজতের যারা জড়িত ছিল তাদের বি’রুদ্ধে যে মা’মলাগুলো আছে সেই

 

মা’মলাগুলোকে সচল করা হবে। একাধিক সূত্র বলছে, সরকার হেফাজতের ক’র্মকাণ্ডে অত্যন্ত বির’ক্ত

এবং সরকার মনে করছে যে তাদেরকে যদি এখনই দমন না করা যায় ভবিষ্যতে তারা বড় ধ’রনের

মাথাব্য’থার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

 

 

Check Also

হঠাৎ শা’রীরিক মি’লন বন্ধ করলে মেয়েদের যা হয়, সকল ছেলেদের জানা উচিৎ

হঠাৎ শা’রীরিক মি’লন বন্ধ করলে মেয়েদের যা হয়, সকল ছেলেদের জানা উচিৎ স্বামী-বিয়োগ, বিবাহ- বি’চ্ছেদ, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *