Breaking News

মেয়েদের চা’হিদা কত বছর বয়স পর থেকে কমতে থাকে!

না’রী পুরু’ষ ব্যাপার সবসময়ই অ’তিরঞ্জিত একটা ব্যাপার। এই ব্যাপারে মতামতও মানুষের ভিন্ন।

শা**রীরিক ক্ষেত্রে কখনও এরকমও শোনা যায় যে না’রীদের আকাঙ্খা পুরু’ষদের থেকে অনেক গু’ণ

 

বেশি।আবার কখনও এটাকে ভু’ল প্রমাণ করেও দেখানো হয়ে থাকে। কিন্তু এসব ছাড়াও ইতিহাস আজ

থেকে নয় সেই আদিম থেকেই চলে আ’সছে এর ধা’রা। আর এখনও পর্যন্ত সারা বিশ্বব্যাপী চলছে সু’স্থ

 

এবং স্বা’ভাবিক শা**রীরিক চা’হিদা। তবে, একটা কথা মাথায় রাখা দরকার যে সবসময় স্বেচ্ছায় সংঘঠিত

মি**লন। এরূপ অন্যথা হলে সেটা আর যাইহোক সু’স্থ স’ম্পর্ক একেবারেই নয়। ইচ্ছের বি’রুদ্ধে গিয়ে

 

কোনো না’রী কোনো পুরু’ষের সাথে কিংবা কোনো পুরু’ষ কোনো না’রীর সাথে লি’প্ত ‘হতে পারেননা।

আর এর পাশাপাশি এটাও স্বা’ভাবিক যে সবার বাসনা বা আ’গ্রহ এক হয়না।তবে, একটা কথা মাথায় রাখা

 

দরকার যে সবসময় স্বেচ্ছায় সংঘঠিত মি**লন। এরূপ অন্যথা হলে সেটা আর যাইহোক সু’স্থ স’ম্পর্ক

একেবারেই নয়। ইচ্ছের বি’রুদ্ধে গিয়ে কোনো না’রী কোনো পুরু’ষের সাথে কিংবা কোনো পুরু’ষ কোনো

 

না’রীর সাথে লি’প্ত ‘হতে পারেননা। আর এর পাশাপাশি এটাও স্বা’ভাবিক যে সবার বাসনা বা আ’গ্রহ এক

হয়না।আবার কোনো কোনো না’রী-পুরু’ষ সু’স্থ পক্ষপাতি এবং তারা প্রয়োজন মাফিক মি’লন পছন্দ করে।

 

আবার কিছু কিছু না’রী-পুরু’ষ যৌ’’নতাকে খুবই কম মাত্রায় পছন্দ করে। অনেকের এ ব্যাপারে ভীতিও

থাকে। যৌ’’নতার ব্যাপার বিশেষ করে না’রী, পুরু’ষের যৌ’’নতার ব্যাপারে উত্সাহ এবং আ’গ্রহ যদি না

 

থাকে তবে চ’রম পুলক আসতে পারে না।না’রীদের ই’চ্ছার সময়সীমা : মেয়েদের চা’হিদা ছেলেদের ৪

ভাগের এক ভাগ। কি’শোরী এবং টিনেজার মেয়েদের ই’চ্ছা স’বচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে

 

মেয়েদের চা’হিদা কমতে থাকে, ৩০ এরপরে ভালই কমে যায়।সম্প’র্কগু’লো সুন্দর করে শেষ করা যায়

না? পেশায় একজন চিকি’ৎসক। স’ন্তানেরা সব বড় বড়। হ’ঠাৎ করে তাঁর স্ত্রী উ’দ্ধার করলেন এই লোক

 

বিগত ১৯/২০ বছর ধ’রে একজন নার্সের সাথে শা’রীরিক ও মা’নসিকভাবে জ’ড়িত। লোকের ভাষায়

প’রকীয়া, অনেকের ভাষায় ব্যভিচার ইত্যাদিএই ঘ’টনা জা’নাজানি হওয়ার পর – ‘সামাজিক ও

 

পারিবারিক স্বীকৃত’ স্ত্রী’র টালমাটাল অবস্থা। মা’নসিকভাবে ভীষণ ভে’ঙে প’ড়েছেন। “কার সাথে

এতোদিন সংসার করলাম, কার স’ন্তানের মা হলাম, কাকে এতো ভালোবেসে মায়া করে রেঁধে খাওলাম,

 

কার পরিবারের সকল সদস্যকে আপন করে নিয়েছিলাম, কার বাবা-মা’কে মাথায় তুলে সম্মান ও সেবা যত্ন

করলাম ইত্যাদি নানা রকম হিসেব।” সাথে আছে সমাজ-সংসারের র’ক্তচক্ষু! “কেমন স্ত্রী – এতোদিন ধ’রে

 

স্বা’মী অন্য বেটির সাথে থাকে টের পায়নি!” “কেমন স্ত্রী – স্বা’মীকে বশে রাখতে পারেনি” “কেমন স্ত্রী

কেমন স্ত্রী কেমন স্ত্রী” – চারদিক থেকে আ’’ঙ্গু’ল তুলা হচ্ছে স্ত্রীর দিকে।আর, স্ত্রী ভাবছেন শুধুই

ভাবছেন – “স্বা’মীকে বিশ্বা’স করা কি তবে ভু’ল, অন্যায়?”

 

কেস স্টাডি: দুই

একজন না’রী চিকি’ৎসক। অসম্ভব সুন্দর ও ভালো মানুষ। পেশায় খুব সফল। ব’ন্ধুদের মধ্যে খুব

ভালোবাসার মানুষ। সহক’র্মী রা ভীষণ পছন্দ করেন। ঘরের সহক’র্মী , ড্রাইভার থেকে শুরু করে সবাই

 

খুব সমীহ- শ্রদ্ধা করে। তিনি স’ন্তানদের মা হিসেবে খুবই কেয়ারিং। স’ন্তানদের পড়াশোনা থেকে শুরু

করে রান্নাঘর সামলান। স্বা’মীর সকল প্রকার চা’হিদা গু’রুত্ব দিয়ে থাকেন। তার কাছে -পরিবার খুব

 

গু’রুত্বপূর্ণ। কিন্তু ঘ’টনা হলো যেহেতু এই না’রী চিকি’ৎসক দুই হাতে ঘর-সংসার সামলে সমান তালে

পেশায় সফল ও সামাজিক সম্প’র্কগু’লো খুব নিবিড়। তার স্বা’মীর অ’ভিযোগ – অতিরি’ক্ত ক্যারিয়ারিস্ট!

 

এতো মানুষের সাথে মেশার কী দরকার! এতো সাজার কী দরকার! এতো হাসাহাসির কী আছে!- নানারকম

দোষ।সর্বশেষে “স’ন্তানদের সামনেই” নানাভাবে অ’পমান অ’পদস্থ। স’ন্দে’হের রোষানল – “তোর কারোর

 

সাথে সম্প’র্ক আছে! তোর চরিত্র খা’রাপ”। এবার আ’সল কথায় আসি – প্রথম ও দ্বিতীয় না’রী দু’জনই

স্বা’মীকে ভীষণ ভালোবাসতেন, শ্রদ্ধা ক’রতেন, বিশ্বা’স ক’রতেন।তাঁরা দুজনেই ভীষণ মানবিক মানুষ।

তবুও সংসার সংসার করে কাঁদেন ও সমাধানের কিনারা খোঁ’জেন। স্বা’মীদের কাউন্সিলিং ও নানাভাবে

 

সাহায্য করার চেষ্টা করছেন। আর স্বা’মীদের প্রথমজন “তার পরবর্তি স’’ঙ্গিনীকে নিয়ে প্রথম স্ত্রী’র ক’ষ্ট

পাওয়া নিয়ে হাসি তামাশা করছেন। দ্বিতীয়জনও কোনোপ্রকার পারিবারিক কাউন্সিলিং বা পরিবারটাকে

টিকিয়ে রাখার কোনো পদক্ষে’প নিচ্ছেন না। ভাবখানা এমন “তার স্ত্রী সব ছে’ড়ে দিলেই” সকল স’মস্যা

 

সমাধান।পারিবারিক কাউন্সিলিং কতোটা গু’রুত্বপূর্ণ – কবে আম’রা বুঝবো! যাক্, একটা করে সংসার

ভা’ঙ্গতে দেখি ও কিছু মানুষের হাহাকারের সাক্ষী হয়ে থাকি। মানুষগু’লো কবে বুঝতে পারবে একজন

 

স’’ঙ্গী রেখে অন্য কারোর সাথে সম্প’র্ক করার ক্ষেত্রে আগের সম্প’র্ক সুন্দর করে শেষ করে নিতে হয়!

নোট: প্রেমক ও বিশ্বা’সী হোন, সকলেই সাথে সম্প’র্কে সততার চর্চা করুন। জীবন সত্যি সুন্দর

 

 

Check Also

‘মানুষ বুঝতে পেরেছে করোনা কমাতে লকডাউন প্রয়োজন, সবাই বাসায় থাকবেন’

সারা দেশে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *