1. tahsanrakibkhan2@gmail.com : admin :
  2. dailymoon24@gmail.com : Fazlay Rabby : Fazlay Rabby
হলে যাদের সিল দিলাম তারা এখন এমপি-মন্ত্রী, আর আমারে কয় হামিদ পাগলা! - Daily Moon
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আমি দুঃখিত, লজ্জিত এবং অনুতপ্ত: নিশো ডিমের খোসা দিয়েই তৈরি করুন ত্বকের বিশেষ ফেসপ্যাক মাত্র পাওয়াঃ প্রাথমিকের ২০২২ শিক্ষাবর্ষের জন্য দারুন সুখবর! গা শিউরে ওঠার মত; ৫ ভাইয়ের স’ঙ্গে তরুণীর বিয়ে, বাসর রাতে এবার শিল্পকারখানা খুলে দিতে প্রধানমন্ত্রীর শরণাপন্ন হলেন ব্যবসায়ী নেতারা জে’নে নিন কয়েক সেকেন্ডে মিথ্যাবদী ধরে ফেলার দারুন ১২টি টিপস রাতের আঁধারে ভাঙা রাস্তা মেরামত করছেন নারী, ভাসছেন প্রসংশায় দ্বিতীয় সংসার ভাঙল ন্যান্সীর, আবারও বিয়ের ইঙ্গিত পরকীয়ার জেরে স্ত্রীকে হত্যার পর থানায় স্বামীর আত্মসমর্পণ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করেও একজন সফল ‘ফ্রিল্যান্সার’ রেজওয়ান

হলে যাদের সিল দিলাম তারা এখন এমপি-মন্ত্রী, আর আমারে কয় হামিদ পাগলা!

ফজলে রাব্বি
  • Update Time : শনিবার, ২৬ জুন, ২০২১
  • ৯ View

 

 

আমার সঙ্গে যারা ছিল ওরা তো সচিব, ব্যারিস্টার, এমপি-মন্ত্রীও হয়েছে। যাদের হলে সিট দিলাম, ওদের অনেকেই এখন দেশের পদস্থ কর্মকর্তা; আর আমারে লোকজন কয় ‘হামিদ পাগলা’। শুক্রবার কথাগুলো বলেন ঢাকা

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৮৪-৮৫ ব্যাচের মেধাবী ছাত্র মো. আবদুল হামিদ। ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার মইলাকান্দা ইউনিয়নের মেসিডেঙ্গি গ্রামের মৃত এমডি সাবুদ আলীর ছেলে তিনি।

 

মো. আবদুল হামিদ পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছিলেন। এসএসসি ও এইচএসসিতে স্টার মার্ক পেয়ে প্রথম বিভাগে পাস করেছিলেন। মাদকের নেশায় মেধাবী সেই ছেলেটির স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে। তিনি এখন এলাকায় ‘হামিদ পাগলা’ নামে পরিচিত। অ’সংলগ্ন আ’চরণের কারণে এলাকাবাসী তাকে পাগল বলেই চেনেন। শত চেষ্টা

 

করেও তাকে নে’শা থেকে ফেরাতে পারেনি পরিবারের সদস্যরা। এই সুযোগে তার জমি দখলে নিয়েছেন অন্য ভাইয়েরা। সহায়-সম্বল হা’রিয়ে ভ’বঘুরে এই মেধাবী ছেলেটি এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জানা গেছে,

 

কাউরাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পান আবদুল হামিদ। শুধু তাই নয়, তিনি উপজেলায় মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেন। গৌরীপুর আরকে সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণিতেও ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পান তিনি।

 

এসএসসিতেও প্রথম বিভাগ (স্টার মার্ক) পেয়ে বোর্ডের শিক্ষাবৃত্তি পান ১৯৮২ সালে। উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হন ঢাকা কলেজে। প্রথম বিভাগ পেয়ে এইচএসসিতে উত্তীর্ণ হন এবং লাভ করেন শিক্ষাবৃত্তি। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

 

জিওগ্রাফিতে ভর্তি হন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চলাকালেই পরিবারে অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ও ভাইদের কর্মসংস্থানের জন্য ‘মা মৎস্য ফিসারিজ’ করার জন্য পুকুর খননের উদ্যোগ নেন। কিন্তু ভাইয়েরা তাকে ভুল বোঝেন।

 

জমি নিয়ে বি’ভে’দের জেরে নানা অজু’হাতে তার উপরে নেমে আসে অ’ত্যা’চা’র-নি’র্যা’ত’ন। এরই মাঝে মা’দ’কে’র নে’শা পেয়ে বসে। প্রথমে সিগা’রেট, পরে ম”দ ও গাঁ”জা’র নে’শায় জী’বনটাই ত’ছন’ছ হয়ে যায় হামিদের।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনাটা তার পক্ষে আর চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পাগলের মতো অ’সংলগ্ন আ’চরণ শুরু করেন হামিদ। বিয়ে করলে মাথা ঠিক হয়ে যাবে এ আশায় তাকে বিয়ে করালেও তিনি এখন ছ’ন্নছাড়া জীবনযাপন করছেন।

 

হামিদ আফসোস করে বলেন, ‘অনেকবার নে’শা ছাড়ার চেষ্টা ক’রেছি। ছাড়ছিও। কিন্তু শেষমেশ ছাড়তে পারি নাই। আমার মাথাটা এখন ঠিক নাই, চিকিৎসা দরকার। স্ত্রী-সন্তান, ছোট বোন, মা কারো জন্যই তো কিছু করতে পারলাম না। নে’শা শুধু আমারে খাইছে না; আমার পরিবার, স্বপ্ন সব খাইছে। অক’র্মা মানুষ আমি।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021  dailymoon24.com
Theme Customized BY IT Rony